Showing posts with label সারাদেশ. Show all posts
Showing posts with label সারাদেশ. Show all posts

Friday, July 2, 2021

সাইবার যুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধীদের পরাজিত করার আহ্বান

সাইবার যুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধীদের পরাজিত করার আহ্বান

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সামনে আরেকটি যুদ্ধ অপেক্ষমান। সেটি সাইবার যুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি সাইবার জগতে নানা মিথ্যা ও অপপ্রচার চালিয়ে আমাদের মহান স্বাধীনতার অর্জনকে ধূলিস্যাৎ করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল যোদ্ধা হিসেবে এই অপশক্তিকে সাইবার যুদ্ধে পরাজিত করতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এলআইসিটি প্রকল্প আয়োজিত আমার মুজিব ক্যাম্পেইনের আওতায় ‘আমাদের মুজিব’ শীর্ষক রচনা ও ‘মুজিবের কাছে চিঠি’ লেখা প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।



বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী নিজেদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর মানবিকতা, শোষণ-বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সংগ্রাম, সাহস, দূরদর্শিতা ও নৈতিকতার গুণাবলির মধ্যে নিহিত রয়েছে একজন আদর্শ মানুষ হওয়ার শিক্ষা।


বিসিসি’র নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, বাক্কো’র মহাসচিব তৌহিদ হোসেন, ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা আরিফুল হাসান অপু, উই ফোরামের সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা। অনুষ্ঠানে ‘মুজিবের কাছে চিঠি’ লেখা প্রতিযোগিতায় নবম ও দশম শ্রেণি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন নন্দী মজুমদার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তার চিঠিটি পড়ে শোনায়।


মোট ৮১৪টি রচনা এবং ৩৪১টি চিঠি বিচারকমণ্ডলীর মাধ্যমে বাছাই করে শ্রেণিভিত্তিক বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৫ জনকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। এরমধ্যে ৯ জন রচনায় এবং ৬ জন চিঠিতে পুরস্কৃত হয়।


‘মুজিবের কাছে চিঠি’ লেখা প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা হচ্ছে— প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি ক্যাটাগরিতে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মডেল অ্যাকাডেমির ফাইজা তাবাসসুম নুসরাত (চ্যাম্পিয়ন) ও ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নওশীন আজাদ (রানার আপ), চতুর্থ থেকে পঞ্চম শ্রেণি ক্যাটাগরিতে রংপুরের শঠিবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লামিয়া মারজান (চ্যাম্পিয়ন) ও সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নিহাল আহমদ ও মতিঝিল সরকারি মডেল স্কুল থেকে মেধা সরকার (যুগ্মভাবে রানার আপ), ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি ক্যাটাগরিতে ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের রণিত অধিকারী (চ্যাম্পিয়ন) ও ঢাকার বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ থেকে সাফওয়ান আজমাঈন (রানার আপ), নবম থেকে দশম শ্রেণি ক্যাটাগরিতে গোপালগঞ্জের সরকারি কোটালীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের নন্দী মজুমদার (প্রথম) ও ঢাকার রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের মো. মুনতাজিম রহমান সায়মন (রানার আপ) এবং ‘আমাদের মুজিব’ রচনা প্রতিযোগিতায় একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি ক্যাটাগরিতে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের তাসনীম তিশা (চ্যাম্পিয়ন) ও ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইকরা আলম রেজা এবং একই প্রতিষ্ঠানের অথৈ দাস শৈতী (যুগ্মভাবে রানার আপ) এবং স্নাতক প্রথম ও শেষ বর্ষ ক্যাটাগরিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. সাগর হোসেন চ্যাম্পিয়ন ও ঢাকা কলেজের আল মামুন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল কাইউম যুগ্মভাবে রানার আপ ।

Wednesday, June 30, 2021

মাঠে থাকছে সেনা-বিজিবি-পুলিশ-র‌্যাব-আনসার

মাঠে থাকছে সেনা-বিজিবি-পুলিশ-র‌্যাব-আনসার

সেনা বাহিনী


করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও চলাচলে বিধিনিষেধ বা কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।
বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য জানায়।


এতে বলা হয়েছে, ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়টি নিশ্চিত করবেন।  


প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

প্রাথমিকভাবে সাতদিন এই লকডাউন কার্যকর থাকবে, পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও বাড়তে পারে।  

Tuesday, June 22, 2021

ঢাকার সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা

ঢাকার সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা

রেলগাড়ী


ঢাকাতে করোনা সংক্রমনের বিস্তার ঠেকাতে ২২ জুন রাত ১২টা ঢাকা থেকে সারা দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত রেলপথ মন্ত্রণালয়। 
মঙ্গলবার রাতে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং গোপালগঞ্জে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) ২২ জুন সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সাথে অন্যান্য জেলা শহরের জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ২৩ জুন থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার বলেন, মঙ্গলবার রাত ১২টার পর ঢাকা থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হচ্ছে। ঢাকা থেকে কোনো ট্রেন পরিচালনা করা হবে না। গতকাল সোমবার ঢাকার আশপাশের ৪ জেলাসহ ৭ জেলায় লকডাউন ঘোষণার পর প্রথমে বলা হয়েছিল শুধু লকডাউনঘোষিত জেলাগুলোতে ট্রেন থামবে না, অন্য গন্তব্যে যথারীতি ট্রেন চলবে। আজ মঙ্গলবার সকালেও বলা হয়েছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা থেকে ট্রেন চলবে। তবে এখন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল সরকার।

গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বাইরে করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে আজ থেকে মঙ্গলবার থেকে দেশের ৭ জেলায় লকডাউন চলছে। গাবতলীসহ ঢাকার সব টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাসের পর এখন রেল মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে এখন ট্রেনও বন্ধ হচ্ছে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, যে ৭ জেলায় লকডাউন দেওয়া হয়েছে সেখানে ৩০ জুন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন চলাচল করবে না। বাজার-শপিংমল বন্ধ থাকবে। সরকারি-বেসরকারি অফিসও বন্ধ থাকবে (জরুরি সরকারি অফিস ছাড়া)। এ ছাড়াও করোনার সংক্রমণ রোধে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা লকডাউন আগে থেকেই চলছে।

[সুত্রঃ চাঁদপুর নিউজ]

Monday, June 21, 2021

ঢাকার সঙ্গে চাঁদপুরসহ সারাদেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

ঢাকার সঙ্গে চাঁদপুরসহ সারাদেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

 

লঞ্চঘাট

ঢাকার সঙ্গে চাঁদপুরসহ সারাদেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় কঠোর লকডাউন দেয়া ৭টি জেলার মধ্যে ছাড়াও ঢাকার সঙ্গে চাঁদপুরসহ সারাদেশের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিটিএ) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ২১ জুন সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধে জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিআইডব্লিউটিএ জানায়, মঙ্গলবার থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন দেয়া জেলাগুলোর মধ্যে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ট্রলার বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে দেশের যেকোনো স্থান হতে ছেড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী নৌযান পথিমধ্যে এসব জেলার লঞ্চঘাটে ভিড়তেও পারবে না।

পরে রাতে বিআইডব্লিউটিএ-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, লকডাউনের মধ্যে লঞ্চ চলাচল সংক্রান্ত নির্দেশনায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৭টি জেলার লঞ্চ যোগাযোগসহ ঢাকা থেকে সারাদেশের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল আগামীকাল সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

সোমবার (২১ জুন) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করা হয়েছে।

[সুত্রঃ চাঁদপুর টাইমস]

Saturday, June 19, 2021

আবু ত্ব-হা গাইবান্ধায় যে বাড়িতে ছিলেন

আবু ত্ব-হা গাইবান্ধায় যে বাড়িতে ছিলেন

গাইবান্ধার বাড়ি


গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের পশ্চিম পেয়ারাপুর গ্রামের বাসিন্দা বন্ধু সিয়াম ইবনে শরীফের বাসায় তিন সঙ্গীসহ আত্মগোপনে ছিলেন আলোচিত ‘ইসলামি বক্তা’ ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। সাতদিন তারা সেখানে আত্মগোপনে থাকেন। সেখানে সাতদিন অবস্থানের পর শুক্রবার সকালে স্বেচ্ছায় তারা রংপুরে চলে যান।

সিয়ামের মা নিশাদ নাহার বলেন, ত্ব-হা ও তার সঙ্গীরা সাতদিন এই বাড়িতে থাকলেও আশপাশের কেউ জানত না। এমনকি তার ছেলে ছিয়ামও বিষয়টি জানতেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

সিয়ামের মা নিশাদ নাহারত্ব-হা’র বন্ধু সিয়ামের মা নিশাদ নাহার


তিনি বলেন, ‘ত্ব-হা এখানে এসে বলে, আমাকে দু'জন লোক ফলো করছে, আমরা এখানে কিছুদিন থাকব। রংপুরে এসএসসি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ার কারণে আমার ছেলের সঙ্গে তার পরিচয়। এসএসসি পাশের পর তারা দু'জন দুই কলেজে পড়লেও একসঙ্গে চলাফেরা করত। তারপর ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন দু'জন একসঙ্গেই চলত। এদিকে আমরা গাইবান্ধায় চলে আসি। এখানে আসার পর আমার ছেলের চাকরি হয়। চাকরি সূত্রে সে এখন রংপুরে থাকে। আর ত্ব-হা আমার বাসায় এর আগে অনেকবার এসেছে।’

চারদিকে তাদের নিয়ে তোলপাড়, তারপরও আপনারা কেন জানেননি, এমন প্রশ্নের জবাবে নিশাদ নাহার বলেন, আসলে এটা আমি ঠিকভাবে জানতে পারিনি কারণ আমার বাসার টিভিটা নষ্ট। আর আত্মীয়স্বজনরা আমাকে ফোনে বলেছে ওতো নিখোঁজ। তারাও বলেছে না জানাতে। আমার ছেলেরও নিষেধ ছিল। কিন্তু পরে আমি ত্ব-হাকে বলেছি, যেহেতু মিডিয়ায় তোমাদের নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে, তোমরা কিন্তু এবার যেতে পার। তারপর তারা চলে গেছে।


আবু ত্ব-হা’র সঙ্গে আরও যারা আত্মগোপনে ছিলেন তারা হলেন আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ। জানা গেছে, আদনানের বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান ও মাহফিলে তারা একসঙ্গেই থাকতেন। এই তিনজনের সঙ্গে ত্ব-হা'র সখ্যতা ছিল।


উল্লেখ্য, ১০ জুন রংপুরে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকার বাসায় ফেরার পথে আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ছিল। আবু ত্ব-হা’র পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ঢাকার গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হা’র সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও তিন জন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
[source: samakal.com]

Friday, June 18, 2021

আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার ২ সঙ্গীকে আদালতে নেওয়া হয়েছে

আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার ২ সঙ্গীকে আদালতে নেওয়া হয়েছে

আবু ত্ব-হা কে আদালতে নেয়া হচ্ছে

ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার ২ সঙ্গীকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুন) রাত সোয়া ৯টার দিকে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে তাদেরকে মহানগর আমলি আদালতে (কোতোয়ালি) নেওয়া হয়।  


রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আবু ত্ব-হার তিন সঙ্গী হলেন- আব্দুল মুহিত, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন। 


উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন জানান, আবু ত্ব-হা নিখোঁজের ঘটনায় দুটি জিডি হয়েছিল। তার মা একটি জিডি করেন এবং তার সঙ্গে নিখোঁজ থাকা আমিরুদ্দিনের ভাই ফয়সাল আরেকটি জিডি করেন। আজ আমরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, ত্ব-হা তার প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে আছেন। সেখান থেকে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানান আবু ত্ব-হা। পরে তার সঙ্গীরাও বিষয়টি স্বীকার করেন। প্রাথমিক এই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে তাদেরকে ডিবি কার্যালয় থেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আদালতে আবু ত্ব-হা ও তার সঙ্গীদের রিমান্ড চাওয়া হবে কি না এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না রংপুরের পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে পুলিশের একটি সূত্র বলছে, আদালতে তাদের জবানবন্দি নেওয়া হতে পারে।


এর আগে বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপ-কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন জানান, গত ১০ জুন বৃহস্পতিবার রংপুর থেকে  ঢাকার পথে রওনা হন আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ আব্দুল মুহিত, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন। পরে তারা ঢাকার গাবতলীতে পৌঁছালে ত্ব-হার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে সেখান থেকে আবার গাইবান্ধার ত্রিমোহনীতে চলে যান। সেখানে তার পূর্ব পরিচিত বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে অবস্থান করেন। 


তিনি আরও বলেন, ওই বাড়িতে অবস্থানকালে ত্ব-হার ইচ্ছাতেই সবাই তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রাখেন। কিছুদিন এভাবে আত্নগোপনে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। মূলত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যার কারণে ত্ব-হা আত্মগোপনে থাকতে চান বলে সঙ্গীদের জানান এবং মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে বলেন। তার কথায় রাজি হয়ে বাকিরাও স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। তবে তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকার দাবি করলেও এই ঘটনা রাষ্ট্র বা সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতে ফেলার কোনো ষড়যন্ত্র কি-না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।


উল্লেখ্য, রংপুরে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকার বাসায় ফেরার পথে আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ওঠে। আবু ত্ব-হার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ঢাকার গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও তিন জন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। 


আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের প্রকৃত নাম আফছানুল আদনান। বয়স ৩১। তার মা আজেদা বেগম। বাবা মৃত রফিকুল ইসলাম। ছোট বোন রিতিকা রুবাইয়াত ইসলাম। আদনানের প্রথম স্ত্রী আবিদা নুর, তাদের সংসারে তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।


বাবা মারা যাওয়ার পর রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে নানার বাড়িতে বড় হন আদনান। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নগরীর নিউ শালবন এলাকায় বসবাস করেন। কয়েক মাস আগে আদনান আরেকটি বিয়ে করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারা ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।


আদনান প্রাতিষ্ঠানিক আরবি বা ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। কোরআন শিক্ষার জন্য কিছুদিন স্থানীয় একটি মাদরাসায় তালিম নেন। এ সময় তিনি আহলে হাদিস নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হন। এছাড়া লাইফ ফাউন্ডেশন, আলোর পথ এবং একাডেমিক কোরআন স্টাডিজ নামে কয়েকটি সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন আবু ত্ব-হা। ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।

[সুত্রঃ ঢাকা পোস্ট]  

আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন।

আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলন

আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে শুক্রবার (১৮ জুন) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন।


তিনি বলেন, ত্ব-হা নিখোঁজের ঘটনায় দুটি জিডি হয়েছিল। তার মা একটি জিডি করেন এবং তার সঙ্গে নিখোঁজ থাকা আমিরুদ্দিনের ভাই ফয়সাল আরেকটি জিডি করেন। এরপর থেকে পুলিশ তাদের খোঁজে মাঠে নামে। বিভিন্ন উপায়ে তদন্ত চলছিল। আজ আমরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, ত্ব-হা তার প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে আছেন। সেখান থেকে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

আবু মারুফ হোসেন জানান, গত ১০ জুন বৃহস্পতিবার রংপুুুর থেকে প্রাইভেটকার ভাড়া করে ঢাকার পথে রওনা হন আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ আব্দুল মুহিত, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন। পরে তারা ঢাকার গাবতলীতে পৌঁছালে ত্ব-হার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে সেখান থেকে গাইবান্ধার ত্রিমোহনীতে চলে যান। সেখানে তার পূর্ব পরিচিত বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে অবস্থান করেন। এ সময় ত্ব-হার সঙ্গে আব্দুল মুহিত, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিনও ছিলেন। 


তিনি আরও বলেন, ওই বাড়িতে অবস্থানকালে ত্ব-হার ইচ্ছাতেই সবাই তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রাখেন। কিছুদিন এভাবে আত্নগোপনে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। মূলত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যার কারণে ত্ব-হা আত্মগোপনে থাকতে চান বলে সঙ্গীদের জানান এবং মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে বলেন। তার কথায় রাজি হয়ে বাকিরাও স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।


তবে তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকার দাবি করলেও এই ঘটনা রাষ্ট্র বা সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতে ফেলার কোনো ষড়যন্ত্র কি-না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।


সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আবু ত্ব-হা ও আমির উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তারা প্রাথমিকভাবে আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। বাকি দুজনের মধ্যে আব্দুল মুহিতকে মিঠাপুকুরের জায়গীরহাট থেকে এবং ফিরোজ আলমকে বগুড়ার শিবগঞ্জ থেকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ত্ব-হার উদ্ধৃতি দিয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, ত্ব-হা আমাদেরকে তার ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আমরা তার কথাগুলো যাচাই-বাছাই করছি। আমরা তাকে রংপুর কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করব। এই মুহূর্তে তার ব্যক্তিগত বিষয়গুলো মুখে আনতে চাই না। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


তিনি উল্লেখ করেন, শুক্রবার দুপুর ২টায় আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের পরিবার থেকে জানানো হয়, তিনি বাড়ি ফিরেছেন। এরপর দুপুর পৌনে ৩টার দিকে নগরীর মাস্টারপাড়া এলাকার আজহারুল ইসলাম মণ্ডলের বাড়ি থেকে ত্ব-হাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোতয়ালী থানায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। 


এদিকে খোকন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি রংপুর নগরীর মাস্টারপাড়ায় আবু ত্ব-হাকে দেখেন। কিন্তু ত্ব-হা সে সময় কোনো কথা বলেননি। মুখে আঙুল দিয়ে চুপ থাকতে বলেন তিনি।

রংপুরে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকার বাসায় ফেরার পথে আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ছিল। আবু ত্ব-হার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ঢাকার গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও তিন জন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। 


আবু ত্ব-হার সঙ্গে যারা নিখোঁজ হয়েছিলেন তারা হলেন- আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ। আদনানের পরিবার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে আদনানের বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান ও মাহফিলে তারা থাকতেন। এই তিনজনের সঙ্গে আদনানের সখ্যতা ছিল।


আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের প্রকৃত নাম আফছানুল আদনান। বয়স ৩১। তার মা আজেদা বেগম। বাবা মৃত রফিকুল ইসলাম। ছোট বোন রিতিকা রুবাইয়াত ইসলাম। আদনানের প্রথম স্ত্রী আবিদা নুর, তাদের সংসারে তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

বাবা মারা যাওয়ার পর রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে নানার বাড়িতে বড় হন আদনান। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নগরীর নিউ শালবন এলাকায় বসবাস করেন। কয়েক মাস আগে আদনান আরেকটি বিয়ে করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারা ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।


আদনান প্রাতিষ্ঠানিক আরবি বা ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি কারমাইকেল কলেজ থেকে দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। কোরআন শিক্ষার জন্য কিছুদিন স্থানীয় একটি মাদরাসায় তালিম নেন। এ সময় তিনি আহলে হাদিস নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হন। এছাড়া লাইফ ফাউন্ডেশন, আলোর পথ এবং একাডেমিক কোরআন স্টাডিজ নামে কয়েকটি সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন আবু ত্ব-হা। ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।

[সুত্রঃ ঢাকা পোস্ট]  

অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে ৪০ কেজি গাঁজা

অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে ৪০ কেজি গাঁজা

আটকৃত গাঁজা ও অপরাধীরা

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের চালক সাইদুল ইসলামকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।


আটককৃত সাইদুল ইসলাম কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাতে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম মহাসড়কের আদিতমারী থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করা হয়।

শুক্রবার (১৮ জুন) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ওই চালককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি (তদন্ত) গুলফামুল ইসলাম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা থেকে রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক কারবারিরা মহিপুর হয়ে বগুড়ার উদ্দেশে ৪০ কেজি গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ আদিতমারী থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করে।

[source: jagonews.com]
আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে থানায় নেয়া হয়েছে।

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে থানায় নেয়া হয়েছে।

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ
আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের খোঁজ মিলেছে। শুক্রবার (১৮ জুন) দুপুরে তিনি রংপুরের শ্বশুরবাড়িতে উপস্থিত হন। পরে বেলা পৌনে ৩টার দিকে তাকে রংপুর নগরীর কোতয়ালী থানায় নেওয়া হয়।

কোতয়ালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


তিনি জানান, আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার সঙ্গে নিখোঁজ হওয়া অন্য তিনজনও বাড়ি ফিরেছেন। তাদেরকেও থানায় আনা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।


রংপুরে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকার বাসায় ফেরার পথে আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ছিল। আবু ত্ব-হার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ঢাকার গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও তিন জন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। 


আবু ত্ব-হার সঙ্গে যারা নিখোঁজ হয়েছিলেন তারা হলেন- আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ। আদনানের পরিবার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে আদনানের বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান ও মাহফিলে এই তিনজন থাকতেন। এই তিনজনের সঙ্গে আদনানের সখ্যতা ছিল।


আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের প্রকৃত নাম আফছানুল আদনান। বয়স ৩১। তার মা আজেদা বেগম। বাবা মৃত রফিকুল ইসলাম। ছোট বোন রিতিকা রুবাইয়াত ইসলাম। আদনানের প্রথম স্ত্রী আবিদা নুর, তাদের সংসারে তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।


বাবা মারা যাওয়ার পর রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে নানার বাড়িতে বড় হন আদনান। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নগরীর নিউ শালবন এলাকায় বসবাস করেন। কয়েক মাস আগে আদনান আরেকটি বিয়ে করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারা ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।


আদনান প্রাতিষ্ঠানিক আরবি বা ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। কোরআন শিক্ষার জন্য কিছুদিন স্থানীয় একটি মাদরাসায় তালিম নেন। এ সময় তিনি আহলে হাদিস নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও লাইফ ফাউন্ডেশন, আলোর পথ এবং একাডেমিক কোরআন স্টাডিজ নামে কয়েকটি সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।


ফরহাদুজ্জামান ফারুক/আরএআর/জেএস

[সুত্রঃ ঢাকা পোস্ট ] 

স্বাস্থ্যবিধি মানতে না চাইলে কঠোর হতে হবে || শিক্ষামন্ত্রী

স্বাস্থ্যবিধি মানতে না চাইলে কঠোর হতে হবে || শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দিপুর মণি


করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক জেলা কমিটির সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি বলেছেন,
 
করোনায় মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নামাতে হবে। সেজন্যে চেষ্টা করতে হবে। বড় ধরনের কোনো সমাবেশ করা যাবে না। বেশিরভাগ অনুষ্ঠানাদি ভার্চুয়ালি করতে হবে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজসহ বেশিরভাগ কাজই ভার্চুয়ালি হয়। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি কেউ যদি মানতে না চান, সেক্ষেত্রে আরেকটু কঠোর হয়ে যান। তিনি বলেন, আমরা (চাঁদপুর জেলা) এখন যে অবস্থায় আছি, তা জাতীয় পর্যায়ের করোনায় আক্রান্তের হারের কাছাকাছি। কিন্তু সীমান্তবর্তী কিছু জেলাতে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলেও এখনও অনেক জেলা খুব ভালো অবস্থানে আছে। আমাদের এই চাঁদপুর জেলাকেও আমরা ভালো অবস্থানে দেখতে চাই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে, সেক্ষেত্রে ওই সকল প্রতিষ্ঠান জরিমানাসহ প্রয়োজনে সীলগালা করে দিন। দেখবেন এই খবরদারি থাকলে অন্যরাও ঠিক হয়ে যাবে।


গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে করোনাবিষয়ক চাঁদপুর জেলা কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এই কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের সভাপ্রধানে শিক্ষামন্ত্রী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সিভিল সার্জনের কাছে চাঁদপুরে করোনার বর্তমান পরিস্থিতি জানতে চাইলে তারা মন্ত্রীকে সার্বিক পরিস্থিতি বর্ণনা করেন। 
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, মানুষের মধ্যে মাস্ক বা স্বাস্থ্যবিধি মানতে শৈথিল্য চলে এসেছে। বিশেষ করে মার্কেট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যারা আমাদেরকে কথা দিয়েছিলো যে, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে। কিন্তু তারা তাদের কথা রাখছে না।

তিনি বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরা যদি একটু বেশি সক্রিয় হন, তাহলে আমাদের জন্যে সুবিধা হবে। আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো এজন্যে কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসক বলেন, আমাদের প্রশাসনেরও অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে আমাদের মতলব দক্ষিণের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার শিশু কন্যাসহ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, চাঁদপুুর এখন ইয়েলো জোনে আছে। 

শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা শুনে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাতে যা যা করণীয় সেটা করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে আপনি একটি সভা আহ্বান করেন। তাতে আমিও থাকবো। এই অতিমারি থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সকলের একত্রে কাজ করতে হবে। শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে মৃত্যুর হার। আক্রান্তের হারও আরও কমিয়ে আনতে হবে। যারা করোনার সম্মুখসারির যোদ্ধা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাদেরকে নিয়েও ভার্চুয়ালি হোক আর স্বাস্থ্যবিধি মেনেই হোক সভা আহ্বান করে গণসচেতনতায় তাদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে। আর যারা কাজগুলো করবে, তারা যেনো আক্রান্ত না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তাছাড়া সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। ক্যাবল টিভির স্ক্রলে গণসচেতনতামূলক প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, আমি আবারও বলছি, আমরা আরও ভালো অবস্থানে যেতে চাই। পৃথিবী করোনামুক্ত হোক এটাই আমরা কামনা করছি।


পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ, বিপিএম (বার) বলেন, পুলিশ বাহিনী চাঁদপুরে যথাযথ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সদস্যদের মাঝেও কিছুটা আতঙ্ক কাজ করে। সকলে যদি আমরা সচেতন না হই, তাহলে জেলা করোনামুক্ত বা করোনার প্রভাব কমাতে হিমশিম খেতে হবে। তিনি বলেন, আমরা জানি লকডাউন হলে মানুষের কষ্ট হয়। কিন্তু যেভাবে মানুষ চলাফেরা করে বা করতে চায়, সেটা আসলেই ঠিক নয়। এ অবস্থায় রাজনৈতিক মহল, জনপ্রতিনিধির জনসচেতনায় সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন,
 আমাদের চাঁদপুরে করোনা শনাক্তের হার ছিলো ১৪ ভাগ। জুনে এসে তা দাঁড়িয়েছে ১৬.৭৯ ভাগ। জাতীয় পর্যায়ে এটি ১৬.২৪ ভাগ। আক্রান্তের সংখ্যা এ মাসে একটু বেশি। তবে মৃত্যুর হার কম। এ পর্যন্ত গত ১৫ মাসে ৪৯৯০ জন আক্রান্ত হয়েছে, মৃত্য হয়েছে ১২৩ জনের। তিনি বলেন, ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ আরটি পিসিআর ল্যাবে এ পর্যন্ত ২৪ হাজার পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, চাঁদপুরে ইতোমধ্যে সিনোভ্যাক্সের ৯ হাজার ছয়শ’ টিকা এসেছে। যা দিয়ে ৪ হাজার ৮শ’ জনকে দুইবারে টিকা দেয়া যাবে। আগামী শনিবার থেকে নতুন করে টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।



তিনি আরো বলেন, আগের ১৫ হাজারের মতো রেজিস্ট্রেশনকৃত ব্যক্তি টিকাই দেননি। তবে নতুন করে আসা সিনোভ্যাক্সের টিকা পাবেন ডাক্তার, নার্স ও নার্সিং স্টুডেন্ট, চীনা নাগরিক এবং মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা টিকা নেননি, তাদেরকে টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এছাড়া সিনিয়র সিটিজেন অর্থাৎ ষাটোর্ধ্বদের টিকা নেয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। মন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেন, আমাদের জেলাকে কীভাবে ভালো রাখা যায়, সে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সকলকে এজন্যে সহযোগিতা করতে হবে। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সৈয়দা বদরুননাহার চৌধুরী ও জেলা তথ্য অফিসার মোঃ মনির হোসেন।

ভার্চুয়াল এ সভায় অংশ নেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক শেখ আরমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক খলিলুর রহমান, সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজত শুভ্র সরকার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তাগণ। শিক্ষামন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে আগামী রোববার বিকেল পাঁচটায় জেলার জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এক সভা আহ্বান করা হয়েছে। সেই সভায় শিক্ষামন্ত্রী সংযুক্ত থাকবেন।

[সুত্রঃ  chandpur news]
অটোপ্রমোশন পাচ্ছে  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

অটোপ্রমোশন পাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

টোপ্রমোশনের আওতায় যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। অটোপ্রমোশনের এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা সবাই দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ হচ্ছেন। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আর স্নাতক দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রমোশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হলেও মৌখিক অথবা অনলাইন পরীক্ষার মাধ্যমে পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়


সূত্র জানায়, প্রায় তিন বছর আগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা এখনও অনার্স প্রথম বর্ষেই রয়েছেন। এই অবস্থায় তাদের শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ওই শিক্ষার্থীকে অনার্স শেষ করার আগে প্রথম বর্ষের বিষয়গুলোর পরীক্ষায় পাস করতে হবে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পরীক্ষা অথবা ভাইভার মাধ্যমে পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ করা চিন্তাভাবনা চলছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকেলে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা শর্তসাপেক্ষে প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের অটোপ্রমোশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা সশরীরে পরীক্ষা নেব। তখন অটোপাস পাওয়া শিক্ষার্থীদের সেসব পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে আমরা কয়েকটি বিকল্প পদ্ধতির কথা ভাবছি। এর মধ্যে একটি হলো মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমোশন দেয়া। আরেকটি হলো অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক মশিউর রহমান আরও বলেন, করোনার কারণে আমরা স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ রেখেছি। ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইনে করা হলেও ভর্তি ফি’র টাকা কলেজে গিয়ে জমা দিতে হয়। ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ঝুঁকির মধ্যে পরার একটা সম্ভাবনা দেখা দেয়। আমরা তাদের কোনো প্রকার ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাইনা।

[সুত্রঃ সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ]  

Tuesday, June 8, 2021

এখন থেকে 5 mbps Brodband মাত্র ৫০০ টাকা

এখন থেকে 5 mbps Brodband মাত্র ৫০০ টাকা

broadband

সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। রাজধানী ঢাকা  কিংবা, দেশের যে কোনো ইউনিয়ন এর ইন্টারনেট সেবাদাতাদের একই দামে সংযোগ দিতে হবে। নির্ধারিত দাম থেকে একটাকাও বেশি নেওয়া যাবেনা


বিটিআরসি এই কর্মসূচির নাম দিয়েছে ‘এক দেশ, এক রেট’। ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সূত্রে জানা গেছে, ‘এক দেশ, এক রেটের’ আওতায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য তিনটি প্যাকেজ থাকবে। এই প্যাকেজগুলোর দাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি বিটিআরসি। গত রোববার এক অনুষ্ঠানে দামের বিষয়ে তারা জানাবে।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথম প্যাকেজের মূল্য হতে পারে মাসে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা, গতি হবে ৫ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)। দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য হতে পারে মাসিক ৮০০ টাকার মধ্যে, এর গতি হবে ১০ এমবিপিএস এবং তৃতীয় প্যাকেজের গতি হতে পারে ২০ এমবিপিএস, দাম হবে মাসিক ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে।
বিজ্ঞাপন

ইন্টারনেট সেবাদাতারা বলছেন, এই দাম কার্যকর হলে ঢাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম প্যাকেজ প্রতি মাসে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমবে। তবে বেশি সুফল পাবেন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ব্যান্ডউইডথ সঞ্চালনের ব্যয় কম বলে ইন্টারনেট সেবার দাম কম রাখতে পারে সেবাদানকারীরা। ব্যান্ডউইডথ ইউনিয়ন পর্যন্ত নিতে ব্যয় অনেক বেশি। এ কারণে সেখানে দামও বেশি রাখা হয়।

বিটিআরসির হিসাবে, দেশে গত মার্চ শেষে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ লাখ। করোনাকালে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এক বছর আগেও সংযোগ সংখ্যা ১৮ লাখ কম ছিল। ইন্টারনেট সেবাদাতাদের দাবি, একটি সংযোগের বিপরীতে অন্তত চারজন ব্যবহারকারী রয়েছেন। ওদিকে মোবাইল অপারেটরদের তারহীন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি ৫৬ লাখ। উল্লেখ্য, সর্বশেষ ৯০ দিনে একবার ইন্টারনেটে প্রবেশ করলেই তাঁকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ধরা হয়।

করোনাকালে দেশে ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই বেড়েছে। পড়াশোনা, ঘরে বসে অফিসের কাজ করা এবং বিনোদনের জন্য ইন্টারনেট নির্ভরতা তৈরি হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দেওয়া সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার উল্লেখ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গত শনিবার বলেন, শহরে মানুষ একরকম দামে ইন্টারনেট পাবে, হাওরে-পাহাড়ে আরেক দামে পাবে, এটা হতে পারে না। তিনি বলেন, ইন্টারনেট হলো ডিজিটাল যুগের মহাসড়ক। গ্রামের মানুষকে সেই মহাসড়কে যুক্ত করতে ইউনিয়নগুলোকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আনা হচ্ছে এবং ইন্টারনেটের ‘এক দেশ, এক রেট’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।



বিটিআরসি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) প্রায় ১ হাজার ১০০ ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক কেব্‌ল সংযোগ স্থাপন করেছে। অন্যদিকে ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অর্থে ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক কেব্‌ল সংযোগের আওতায় আনা হয়েছে। দেশে ইউনিয়নের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৮৮। টেলিযোগাযোগমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মধ্যে সব ইউনিয়ন ফাইবার অপটিক কেবলের আওতায় আসবে।

হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপনকারী যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট কেব্‌লডটইউকে দেখা যায়, বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দামের দিক দিয়ে বিশ্বে ৫৮তম। মানে হলো, ৫৭টি দেশে দাম বাংলাদেশের চেয়েও কম। এ দেশে মাসে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের গড় দাম ৩১ ডলারের কিছু বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা। ভারতে একই দর ১৪ ডলারের নিচে।

ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ব্যান্ডউইডথ সঞ্চালনের ব্যয় কমাতে পারলে তৃণমূলে কম মূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব। যদি দেখা যায়, সঞ্চালন ব্যয় বেশি পড়ছে, তাহলে কারও পক্ষে কম দামে দেওয়া সম্ভব হবে না। নতুন দাম বেঁধে দেওয়ার পর মান ঠিক থাকবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতি গ্রাহক বুঝে নেবেন। কেউ নির্ধারিত দামের বাড়তি বিক্রি করতে পারবে না।

চাঁদপুর জেলা ও এর সকল উপজেলার প্রতি সপ্তাহের সকল খবর পেতে সাপ্তাহিক চাঁদপুর এর সাথেই থাকুন।