Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts

Tuesday, August 3, 2021

 ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে সাত দিনের আলটিমেটাম

ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে সাত দিনের আলটিমেটাম

 ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে সাত দিনের আলটিমেটাম
কিটো ডায়েটের পরামর্শদাতা ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের বিভ্রান্তিকর ও অবৈজ্ঞানিক ভিডিও কনটেন্ট অনলাইন থেকে না সরালে সাতদিনের মধ্যে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে এফডিএসআর।

ডা. জাহাঙ্গীর কবির
ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে সাত দিনের আলটিমেটাম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের চিকিৎসাকে অপচিকিৎসা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিটিলিস (এফডিএসআর)।


রোববার (১ আগস্ট) ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের ঠিকানায় পাঠানো এক চিঠিতে সংস্থাটির পক্ষে বলা হয়, ডা. জাহাঙ্গীর কবির কিটো ডায়েট নিয়ে ভুল এবং অসত্য তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এই ডায়েটের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক কাউন্সেলিং করেন না। বরং ডায়াবেটিস, কিডনিসহ বিভিন্ন রোগীদের ব্যাপকভাবে কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিয়ে ক্ষতি করছেন। তিনি বিভিন্ন চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশনকে হেয় করে মন্তব্য করেছেন। করোনার টিকা নিয়ে ইম্যুনোলজি বিষয়ক ভুল বক্তব্য দিয়েছেন।  

চিকিৎসকদের এই সংগঠন জাহাঙ্গীর কবিরের এসব কার্যক্রমকে ম্যালপ্র্যাকটিস বা অপচিকিৎসা বলে আখ্যা দিয়েছে তা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতিবিরোধী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

এফডিএসআরের মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনার (ডা. জাহাঙ্গীর) সাম্প্রতিক সময়ের কর্মকাণ্ড আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় এই পত্র লিখতে হচ্ছে। আপনি নিশ্চয়ই জানেন চিকিৎসক হিসেবে আমাদের যেমন নানারকম বিশেষ অধিকার রয়েছে তেমনি দায়িত্বও রয়েছে। এফডিএসআর মনে করে কোনও চিকিৎসকেরও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করার ও অসত্য বলার অধিকার নাই এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আপনি জীবনধারা পরিবর্তন ও এর মাধ্যমে নানারকম ক্রনিক রোগের চিকিৎসা করছেন বলে দাবি করেন। এজন্য অনলাইন ও অফলাইনে মানুষকে সুস্থ জীবন গড়ে তোলার জন্য লাইফস্টাইল বা জীবনধারা পরিবর্তনের পরামর্শ দিচ্ছেন। এসবই আপাত দৃষ্টিতে চমৎকার কাজ। কিন্তু আপনার মনে রাখতে হবে আপনার পরামর্শ হতে হবে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সমর্থিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক। শুধু তাই নয় এই সকল পরামর্শ যাতে কারো ক্ষতির কারণ না হয় সেদিকেও আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, আপনি কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিচ্ছেন। বিভিন্ন চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশনকে হেয় করে মন্তব্য করছেন। টিকা নিয়ে ইম্যুনোলজি বিষয়ক ভুল বক্তব্য দিয়েছেন। আপনি আপনার কোনও লেখায় বা বক্তব্যে আপনার সেবাগ্রহীতাদের কিটো ডায়েটের সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে কোনও লিখিত বা মৌখিক কাউন্সেলিং করেন না। ইনফর্মড কনসেন্ট নেন না। আপনি ডায়াবেটিক রোগী ও কিডনি রোগীকেও কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিয়েছেন বলে আমরা জানি। এই ডায়েটের ফলে দীর্ঘ ও মধ্যমেয়াদী যেসব স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে সেটা নিয়ে আপনি কখনও রোগীদের অবগত করেন না। এটা ম্যালপ্র্যাকটিস। অথচ কিটো ডায়েট এর জন্য রোগীর ইনফর্মড কনসেন্ট নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই ডায়েটের ফলে হৃদরোগ বৃদ্ধি ও কিডনির ক্ষতি, মাংসপেশীর ক্ষতি, হাড়ের ক্ষতি সহ নানা রকম প্রতিক্রিয়ার বিষয়গুলি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।


চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আপনি সম্প্রতি বলেছেন কোভিড ভ্যাক্সিনের মাধ্যমে শরীরে অ্যান্টিবডি প্রবেশ করানো হয়। আরও বলেছেন ভাইরাসের বিভিন্ন স্ট্রেইনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভ্যাক্সিন দরকার। এরকম ভুল ও অসত্য তথ্য দিয়ে আপনি আপনার অজ্ঞতাপ্রসূত পোস্ট মারফত কোটি কোটি মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন যা জনবিরোধী কাজ। আপনার টিকা নিয়ে অজ্ঞতা দেশের চিকিৎসকদের মর্মাহত ও লজ্জিত করেছে। আপনার কোনও অধিকার নাই মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষতি করার।

ডা. জাহাঙ্গীর চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র পোস্ট করে তাতে ওষুধের সংখ্যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, যে রোগীর হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও কিডনি অসুখ আছে তার জন্য অনেকগুলি ওষুধ প্রয়োজন হতেই পারে। আপনি এটি নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যঙ্গ করেছেন। শুধু তাই নয় আপনি বলেছেন জীবনধারা বদলালে ওষুধ লাগে না। আর জীবনধারা ভালো না হলে ওষুধ কাজ করে না। এভাবে আপনি ওষুধের প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছেন যা অসাধু কাজ ছাড়া কিছু না। আপনার কথা অনুযায়ী তাহলে লাইফস্টাইল না বদলালে কোলোস্টেরোল লোয়ারিং এজেন্ট কাজ করার কথা না। উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ কাজ করার কথা না। সব ধরনের অ্যাকিউট অ্যাটাকে কোনও ওষুধ কাজে লাগার কথা না। এমনকি ভিটামিনও কাজ করার কথা না। বহু রোগী আছেন হাঁপানির যাদের জীবনধারার সঙ্গে তাদের শ্বাসকষ্টের সম্পর্ক নাই। আপনার কথা অনুযায়ী ইনহেলার ও অ্যালার্জির ওষুধও কাজ করার কথা না। তার মানে আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।

এতে বলা হয়, রক্তকে অ্যাসিডিক করা বিষয়ে আপনার বক্তব্যের কোনও ভিত্তি নাই। আপনি লিখেছেন ডায়াবেটিসের ওষুধ কিডনি নষ্ট করে। আপনি একাধিকবার বলেছেন লাইফস্টাইল মডিফিকেশন করলে ওষুধ লাগবে না। যে রোগের কারণের মধ্যে লাইফস্টাইল আছে সেখানে ওষুধের দরকার নাই। এরকম ভুল কথা বলা অন্যায় কারণ আপনি জানেন যে রোগের কারণ বা রোগের প্রভাবক দূর করলেই রোগ সেরে যায় না। শরীরের বন্ধু টিস্যু আছে যা একবার নস্ট হলে তা রিভার্স করা যায় না। আপনি নিজে কিটো ডায়েটের ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়া নিয়ে মানুষকে অবগত করেন না কিন্তু চিকিৎসকরা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে রোগীদের বলে না, বিনাকারণে ইনসুলিন দেয় এসব একথা বলে বিষোদগার করেন।

আপনি যে ধরনের কর্মকাণ্ড করছেন তা চিকিৎসা বিজ্ঞানের নীতিবিরোধী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, আপনি নিয়মিত বিভিন্ন চিকিৎসা ও পরামর্শ দিচ্ছেন যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত রোগ নিরাময়ের পদ্ধতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সামাজিক মাধ্যমে নানারকম ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর।

চিঠিতে এসব অপচিকিৎসার ভুল ও বিকৃত তথ্য অপসারণের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিষোদগারের জন্য দুঃখ প্রকাশ করবেন। নতুবা দেশের আইন অনুযায়ী এফডিএসআর ব্যবস্থা নেবে।

এ বিষয়ে ডা. জাহাঙ্গীর কবীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Monday, August 2, 2021

চাঁদপুর জেলার ০১ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসায়ী আটক।

চাঁদপুর জেলার ০১ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসায়ী আটক।

 চাঁদপুর জেলার ০১ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসায়ী আটক।

চাঁদপুর জেলার ০১ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসায়ী আটক


চাঁদপুর জেলার ০১ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ড থেকে এক যুবককে আটক করেন চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশের এক টহল টিম।

শ্যামল (৪০) নামের এক যুবক ৫ নং ওয়ার্ডের রাস্তায় একটি ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা নিয়ে সন্দেহজনক ভাবে ঘুরাঘুরি করছিল। এতে করে এলাকাবাসী ঐ যুবককে সন্দেহ করে তার পরিচয় জানতে চায় যুবকটি পরিচয় না দিয়ে বিভিন্ন উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই এলাকার সাইফ মাল নামের এক যুবক সন্দেহজনক ব্যক্তি শ্যামলের অটো রিকশাটি চেক করে একটি গাঁজার প্যাকেট পায়।


তৎক্ষণাৎ এলাকাবাসী চাঁদপুর মডেল থানা কে ঘটনাটি বিস্তারিত জানান, এলাকাবাসীর খবর শুনে চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশের একটি টহল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গাঁজা ব্যবসায়ী শ্যামল জানায় বিষ্ণুপুরের মাদক ব্যবসায়ী সাদ্দামের কাছ থেকে গাঁজা পাইকারি দরে কিনে মতলব নিয়ে বিক্রি করে।


গত ১৫ দিন আগে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড থেকে নাসির পাটোয়ারী নামের এক যুবককে পুলিশ গাঁজাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান করে। এছাড়াও বিষ্ণুপুর ৪ নং ওয়ার্ডে শাহাদাত প্রধানিয়া নামের এক যুবক দাপিয়ে গাঁজার ব্যবসা করে যাচ্ছে। এতে করে সমাজের ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সের পুরুষেরা নেশাগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে এবং সমাজকে বিপর্যয় ফেলে দিচ্ছে। প্রশাসন বারবার এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ীদের কে শাস্তি দিও কোন প্রকার বৈধ পথে তাদেরকে আনতে পারছে না।


বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের জনগণ জানান….


এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ীদের কে নির্মূল না করলে সমাজ ও পরিবেশ মাদকের আড্ডাখানা হয়ে যাবে। এবং যুবসমাজ নষ্ট হয়ে যাবে বিষ্ণুপুরের জনগণ আরো জানায় যে, প্রশাসনকে আরও কঠোর হয়ে এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ীদের কি নির্মূল করতে হবে

Source: voiceofchandpur

Thursday, July 22, 2021

লঞ্চের ছাদে খোলা আকাশের নিচে কাটবে রাসেলের বাসর রাত

লঞ্চের ছাদে খোলা আকাশের নিচে কাটবে রাসেলের বাসর রাত

লঞ্চের ছাদে খোলা আকাশের নিচে কাটবে রাসেলের বাসর রাত

লঞ্চের ছাদে
ছবিঃ আরটিভি 


বিয়ের কথা চলছিল আগে থেকেই। গত ঈদে হওয়ার কথা ছিল বিয়ে। কিন্তু করোনায় কারণে তা হয়নি। তাই এবার ঈদে সেই বিয়ে সারেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বলতে আকদ পর্যন্ত হযেছে।


লকডাউনের কারণে আর আতিথেয়তার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ছুটতে হয়েছে কর্মস্থলে। সেখানেও বিপত্তি। নতুন বউ নিয়ে রাসেলের যাওয়ার ইচ্ছা ছিল লঞ্চের কেবিনে। তাও হলো না। অস্বাভাবিক যাত্রীর চাপে শেষে লঞ্চের ছাদেই ঠাঁই হয়েছে নবদম্পতির। বরিশাল থেকে ঢাকাগামী পারাবত-১০ লঞ্চের ছাদে নবদম্পতির এ চিত্র দেখা যায়।


ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যানের কাজ করা রাসেল বলেন, চেষ্টা করছিলাম লঞ্চে একটি কেবিন সংগ্রহ করার। কিন্তু পাইনি। নতুন বউ নিয়ে এভাবে খোলা আকাশের নিচে যেতে কেমন দেখায়! আর একটা দিন পরে লকডাউন দিলে আর সমস্যা হতো না। না পারলাম কোরবানির মাংস খেতে না পারলাম বিয়েটা ভালোভাবে করতে।


রাসেলের বোন পারভিন জানান, তাদের বাড়ি জেলার উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে। বিয়ের কথাবার্তা ঠিক ছিল গত ঈদে। কিন্তু তখন লকডাউন পড়বে দেখে বিয়ের আয়োজন করা হয়নি। এরপর উভয় পরিবার মিলে সিদ্ধান্ত নেয় কোরবানির ঈদে। এজন্য ঈদের পরের দিন বিয়ের আয়োজন করা হয়। গতকালও জানতাম না শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে আবার লকডাউন দিবে। আজ দুপুরে শুনেছি তখন কেবল আকদ হয়েছে। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পরপরই খাওয়া-দাওয়া না করেই নতুন বউ নিয়ে ঢাকা রওনা দিয়েছি। কিছু করার নেই।

Rtv

Friday, July 9, 2021

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল নিয়ে মারামারির খবর আর্জেন্টিনার পত্রিকায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল নিয়ে মারামারির খবর আর্জেন্টিনার পত্রিকায়

 


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল নিয়ে মারামারির খবর আর্জেন্টিনার পত্রিকায়!



আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম 'বুয়েন্স এইরেস টাইমস'-এ প্রকাশিত সেই সংবাদের স্ক্রিনশট।


গত দুই বছর ধরেই দেশের অন্যতম আলোচিত বিষয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা। এর পেছনে মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ার অবদান বেশি। সামান্য বিষয় নিয়ে নিয়মিতই জেলাটিতে বহু মানুষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে। গত মঙ্গলবার ৬ জুলাই কোপা আমেরিকা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল বাজারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা সংঘর্ষে জড়ায়। যাতে ৪ জন আহত হয়।



আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, ওই সংঘর্ষের খবর প্রকাশিত হয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম 'বুয়েন্স এইরেস টাইমস'-এ। সেই সংবাদের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, 'বাংলাদেশে কোপা আমেরিকা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় সতর্কতা জারি'। উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনাল ঘিরে সংঘর্ষের আশংকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশ। জনগণকে বাইরে বের না হয়ে নিজের বাসায় বসে খেলা দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে 'বুয়েন্স এইরেস টাইমস'-এ পুলিশের এই সতর্ক অবস্থানটির কথাই তুলে ধরা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, 'কোপা আমেরিকা আর বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগনের মাঝে ফুটবল উন্মাদনার সৃষ্টি হয়। লাখ লাখ ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার সমর্থক তাদের প্রিয় দলের পতাকা নিজেদের বাড়িতে এবং রাস্তায় স্থাপন করে। মাঝেমধ্যে দুই পক্ষে সংঘর্ষও হয়। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের সময় দেশটিতে ১২ বছর বয়সী এক ব্রাজিল সমর্থক রাস্তায় পতাকা ওড়াতে গিয়ে মারা যায়। তাছাড়া অন্য একটি ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক পিতা ও তার পুত্র মারাত্মক আহত হন।'


কালের কন্ঠ

Thursday, July 8, 2021

বামন গোরুকে দেখতে ভিড়, গিনেস বুকে নাম তোলার ভাবনা মালিকের

বামন গোরুকে দেখতে ভিড়, গিনেস বুকে নাম তোলার ভাবনা মালিকের



কে দেখতে ভিড়, গিনেস বুকে নাম তোলার ভাবনা মালিকের

বামন গোরুকে দেখতে ভিড়, গিনেস বুকে নাম তোলার ভাবনা মালিকের

ঢাকা থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণের এই গ্রামে এখন দূর দূর থেকে মানুষ ভিড় করছেন।

লকডাউনের মধ্যেও বামন গোরুকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশের এই বামন গোরুই বিশ্বের ক্ষুদ্রতম গোরু হতে পারে, মত অনেকেরই। গিনেস বুকেও এই মর্মে নাম তোলার কথা ভাবছেন গোরুর মালিক।


বাংলাদেশের চারিগ্রামের এই গোরু লম্বায় ৬৬ সেন্টিমিটার। ঢাকা থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণের এই গ্রামে এখন দূর দূর থেকে মানুষ ভিড় করছেন।


ছোট্ট গোরুটির নাম রানি। শিখর এগ্রি ফার্মে জন্মেছে এই গোরু। এক আগে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম গোরু ছিল কেরলে। মনিক্যম নামের সেই গোরুটিই বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গোরু হিসাবে রয়েছে গিনেস বুকে। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে যাবে বলে মনে করছেন ফার্মের ম্যানেজার হাসান হাওয়ালদার।


রানি প্রজাতির দিক দিয়ে একটি ভুটানি গোরু। সাধারণত মাংসের জন্যই এই গোরু পালন করা হয় বাংলাদেশ ও ভুটানে। শিখর এগ্রি ফার্মের মালিক জানালেন সাধারণত বেশ বড়ই চেহারা হয় এই গোরুর। কিন্তু রানি বামন হওয়ায় সেটি এত ছোট।


ছোট্ট এই গোরুকে দেখতে গত তিন দিনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া ও টিভিতে দেখে একে দেখতে আসছেন অনেকে। তোলা হচ্ছে সেলফিও।


পশু চিকিত্সক ডঃ ইএম মহম্মদ জানান, 'বাংলাদেশে খাদ্যাভ্যাস, আবহাওয়ার জন্য এমনিতেই গোরুর আকার ছোট হয়। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া বাছুরই অন্য স্থানে নিয়ে গেলে তার আকার বৃদ্ধি পাবে।' তবে এই গোরুটি জন্মগতভাবে ছোট। তাই এটি লম্বায় এত কম বলে মনে করা হচ্ছে।

Tuesday, July 6, 2021

ফোনের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসবে ড্রোন!

ফোনের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসবে ড্রোন!

মোবাইল ড্রোন


বর্তমানে পাখির চোখে অর্থাৎ আকাশ থেকে ছবি তোলার ক্ষেত্রে ড্রোনের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। যারা ছবি তুলতে পছন্দ করেন, ড্রোন তাদের কাছে আরাধ্য বিষয়। কিন্তু ছবি তোলার জন্য মোটামুটি মানের ড্রোনের দামই নেহায়েত কম নয়। তাই ইচ্ছে থাকলেও পিছিয়ে আসেন অনেকে। তবে কেমন হয় যদি আলাদা করে ড্রোন না কিনে স্মার্টফোন দিয়েই ড্রোনের মতো ছবি তোলা যায়?


এবার সে রকম এক নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে চীনা স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভিভো। 



গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভিভো এমন একটি ড্রোনের উপর কাজ করছে, যা স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।


ভিভোর এই পরিকল্পনার ছবিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভিভোর পরিকল্পনা অনুযায়ী ফোনের মধ্যেই থাকবে বিশেষ ডিট্যাচিং মেকানিজম। তার মাধ্যমেই ফোনের দুটি ক্যামেরা ও কিছুটা অংশ বিছিন্ন হয়ে যাবে মূল শরীর থেকে। এটিই ফোনকে রিমোট হিসেবে ব্যবহার করে ওড়ানো যাবে ড্রোনের মতোই। এতে চারটি ফ্যান ছাড়াও থাকছে দুটি ইনফ্রারেড সেন্সর।


গত বছরেই এই প্রযুক্তির পেটেন্ট জমা দিয়েছে ভিভো। এই ফোন কবে নাগাদ বাজারে আসতে পারে বা আদৌ বাজারে আসবে কিনা, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ভিভো। তবে এটি যদি কনসেপ্ট মডেল হিসেবেও প্রকাশ করা হয়, তা স্মার্টফোনের জগতে যে আলোড়ন সৃষ্টি করবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Wednesday, June 30, 2021

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ তিনি, নাম লেখালেন গিনেস বুকে

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ তিনি, নাম লেখালেন গিনেস বুকে

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন পুয়ের্তো রিকোর বাসিন্দা এমিলিও ফ্লোরেস মারকুয়েজ। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ গতকাল বুধবার (৩০ জুন) ১১২ বছর ৩২৬ দিন বয়সী এই মানুষকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ।


জানা যায়, এমিলিও ফ্লোরেস মারকুয়েজ যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ক্যারিবীয় দ্বীপ পুয়ের্তো রিকোর বাসিন্দা। তিনি ১৯০৮ সালে রাজধানী স্যান জুয়ানের পূর্বাঞ্চলের ক্যারোলিনায় জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থান থেকে কয়েক মাইল দূরে তার বাড়িতেই বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষের স্বীকৃতির সনদপত্র দেয় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।


বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ তিনি, নাম লেখালেন গিনেস বুকে


এমিলিও জানান, আমার বাবা অনেক ভালোবাসা দিয়ে লালন-পালন করেছেন আমাকে। বাবা সবসময় ভাই-বোনদের ভালো কাজ করতে বলতেন। সবসময় অন্যদের সঙ্গে সবকিছু ভাগাভাগি করার কথাও বলতেন।


এর আগে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড থেকে বিশ্বের সবচেয়ে জীবিত বয়স্ক মানুষের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন রোমানিয়ার ডুমিত্রু কমনেস্কু। ২০২০ সালের ২৭ জুন ১১১ বছর ২১৯ দিন বয়সে মৃত্যু হয় তার। কমনেস্কু মৃত্যুর পর গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ এমিলিওর জন্মসনদ সংগ্রহ করে। এতে দেখা যায় এমিলিও কমনেস্কুর থেকেও তিন মাসের বড়।


[ ইত্তেফাক ]

Tuesday, June 22, 2021

চাঁদপুরে ৭ বছর ধরে নেই চক্ষু চিকিৎসক

চাঁদপুরে ৭ বছর ধরে নেই চক্ষু চিকিৎসক

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল

চাঁদপুরে ৭ বছর ধরে নেই চক্ষু চিকিৎসক, সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরা

আড়াই’শ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে নেই কোন চক্ষু চিকিৎসক। যার কারনে গত ৭ বছর ধরে হাসপাতালটিতে চক্ষুচিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ রোগীরা। প্রতিদিনই চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সাধারণ রোগীরা চোখের নানা সমস্যা নিয়ে সরকারি এ হাসপাতালটিতে ডাক্তার দেখাতে আসেন। কিন্তু চক্ষু চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ব্যর্থ মনে ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা।


জানা যায়, ২০১৫ সাল থেকে হাসপাতালের চোখের ডাক্তারের পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। গত ৭ বছর আগে ওই পদে দায়িত্বে থাকা ডাঃ মনোজ কান্তি বড়ুয়া চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পর থেকে সে পদটি আজো শূন্য পড়ে রয়েছে। আর স্বাস্থ্য সেবায় এই গুরুত্বপূর্ন পদটি শূন্য থাকায় চোখের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারন মানুষজন।
সরজমিনে দেখা গেছে প্রতিদিনই জেলার এই সরকারি হাসপাতালটিতে চোখের চিকিৎসাসেবা নেয়ার জন্য চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু রোগী হাসপাতালে যান। কিন্তু চোখের ডাক্তার না থাকায় তারা সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে ব্যর্থ মনে ফিরে যেতে হচ্ছে।

ডাক্তার মনোজ কান্তি বড়ুয়া অবসর নেয়ার পর থেকেই এ পদে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেও কোন কাজ হয়নি বলে জানা গেছে। যদিও ২/৩ বছর পূর্বে একজন নারী চক্ষু চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু তিনি ২/৩ মাস দায়িত্ব পালনের পর সেখান থেকে অনত্র বদলী হয়ে যান। সেই থেকে হাসপাতালে এই চক্ষু চিকিৎসক পদগুলো শূন্য পড়ে থাকে।
তাই সে চক্ষু চিকিৎসক শূন্য পদেই চলছে হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসা সেবা। এছাড়াও আরো বেশ কিছু পদ শূন্য পড়ে আছে বলে জানা গেছে।

শুধু চক্ষু চিকিৎসকই নয়, এর পাশাপাশি গত ৬ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে ডিজিটাল এক্সরে ও আল্টাসনোগ্রাম বিভাগটিও। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওই বিভাগটিতে রেডিওলজিস্ট ও কনসালটেন্ট পদে দু,চিকিৎসক কর্মরত ছিলো। তাদের পদোন্নতি হওয়ার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত আল্ট্রাসনোগ্রাম বিভাগটির কার্যক্রম সম্পর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
যার ফলে জেলার বিভিন্ন স্থানও জেলার বাইরে থেকে আসা রোগীদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সরকারি নিদিষ্ট খরছে হাসপাতালে আল্টাসনোগ্রাম করাতে না পেরে অধিক খরচ দিয়েই বাধ্যতামূলকভাবে বাহিরের ডায়াগনস্টিক গুলোতে আল্টাসনোগ্রাম ও ডিজিটাল এক্স-রে করাচ্ছেন রোগীরা।এর জন্যও রোগীদের ওই পরীক্ষাটি করাতে হাসপাতাল থেকে অন্য স্থানে আসা যাওয়ায় অনেক হয়রানির শিকার হচ্ছেন রোগীরা।


হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছর পূর্বে একজন চক্ষু চিকিৎসক নিয়োগ হলেও কয়েক মাস পর তিনিও পদোন্নতিলাভ করে অন্য স্থানে চলে যান। একারনে আজও শূন্য রয়েছে সরকারি এ হাসপাতালটির চক্ষু বিশেষজ্ঞ পদটি। এদিকে আল্ট্রাসনোগ্রাম বিভাগটিই নয়, চিকিৎসক সংকটের কারণে হাসপাতালের আরও বেশকিছু চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না রোগীরা।
কনসালন্টেট ও রেডিওলজিস্টের পাশাপাশি দীর্ঘ ৭ বছর ধরে চক্ষুচিকিৎসকের পদটিও শূন্য পড়ে আছে।


এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হাবিব উল করিম চাঁদপুর টাইমসকে জানান, চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদটির বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমরা একাধিক বার লিখিত ভাবে আবেদন করেছি। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি। এ পদে বিশেষজ্ঞ না পাওয়ার কারণে উর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষও এই পদে কোন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে পারছেন না। আমরা আবারো নতুন করে এই পদে লোক নিয়োগ দেয়ার জন্য লিখিত আবেদন করবো।

[source: chandpur times]

Sunday, June 20, 2021

সব ধরনের অনলাইন গেম এবং অ্যাপস বন্ধে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সব ধরনের অনলাইন গেম এবং অ্যাপস বন্ধে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।



দেশের অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার ও লাইকির মতো সব ধরনের অনলাইন গেম এবং অ্যাপস বন্ধে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।


নোটিশে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং পুলিশ প্রধানকে বিবাদী করা হয়েছে।



শনিবার (১৯ জুন) মানবাধিকার সংগঠন ‘ল অ্যান্ড লাইফ’ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার এ নোটিশ পাঠান।


নোটিশ পাওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এগুলো বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।



বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব।


নোটিশে বলা হয়েছে, পাবজি এবং ফ্রি ফায়ারের মতো গেমসে বাংলাদেশের যুব সমাজ এবং শিশু-কিশোররা ব্যাপকভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে। এসব গেমস যুব সমাজকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।


দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার গেম ও লাইকির মতো সকল প্রকার অনলাইন গেমস এবং অ্যাপস বন্ধে সরকারকে বলা হয়েছে।


নোটিশকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, ‘আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এগুলো বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে।’


নোটিশে বলা হয়, টিকটক, লাইকি অ্যাপস ব্যবহার করে দেশের শিশু কিশোর এবং যুব সমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। এছাড়া সম্প্রতি নারী পাচারের ঘটনা এবং বাংলাদেশ থেকে দেশের বাইরে অর্থপাচারের ঘটনায়ও টিকটক, লাইকি এবং বিগো লাইভের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং দেশের ও জনস্বার্থের পরিপন্থি। এটি শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ পরিপন্থি।


নোটিশে আরও বলা হয়, দেশের শিশুরা বিভিন্ন অনলাইন গেমসে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এগুলো মনিটর করার জন্য, সময়ে সময়ে শিশুদের জন্য উপযোগী এবং যথাযথ অনলাইন গেমসগুলোকে সুপারিশ করার জন্য একটি মনিটরিং টিম গঠন করা অত্যন্ত জরুরি।


তাই একটি মনিটরিং, মূল্যায়ন এবং সুপারিশ কমিটি গঠন করার জন্য বলা হয়েছে নোটিশে।


নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিধান অনুযায়ী এসব অবাঞ্চিত ক্ষতিকর গেমস এবং অ্যাপসকে অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং উপযোগী সাইবার পদ্ধতি সুনিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বিবাদীদের, যেটা করতে তারা ব্যর্থই হয়েছেন।


এফএইচ/এমএইচআর/এএসএম

Saturday, June 19, 2021

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে

 

মতবিনিময় সভা চাঁদপুর

পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে টোয়াব নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে দেশের শীর্ষ ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন-টোয়াব নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ জুন সন্ধ্যা ৭টায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারির সভাপতিত্বে ও সাবেক সভাপতি বিএম হান্নানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর পৌরসভার মোয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) সভাপতি রাফিউজ্জামান রাফি ও সহ-সভাপতি শিবলুল আজিম কোরেশী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত, ডিআই-১ তোতা মিয়া, ঢাকাস্থ চাঁদপুর সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক বানিজ্য প্রতিদিনের সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার পলাশ, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী, আইরুমন্স বিডির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউনুস উল্লাহ, প্রথম আলোর চাঁদপুর প্রতিনিধি আলম পলাশ, ইন্ডিপেন্ডেড টিভির চাঁদপুর প্রতিনিধি আব্দুল আউয়াল রুবেল, সিনিয়র সাংবাদিক মুনির চৌধুরী, চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আল ইমরান শোভন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌস, চাঁদপুর ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কেএম মাসুদ প্রমুখ।

চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, আমরা মানুষ হিসেবে অনেকেই মনে মনে ভ্রমণ করি। অনেক লেখক ঘরে বসেই মনের চোখ দিয়ে স্বপ্নের জায়গা ভ্রমণ করে বই লিখেছেন। কিন্তু আপনারা যারা ট্যুরিজম নিয়ে কাজ করেন, তারা অনেক জায়গা ঘুরে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। আপনাদের দেখে দেখে আমরা ভ্রমণপিপাসু হয়ে উঠি। সেই আপনারাও সমাজ বিবর্তনের পথপ্রদর্শক।

তিনি বলেন, নদীমাতৃক জেলা হওয়ায় একটা সময় দেশের বাইরেও চাঁদপুরের গুরুত্ব ছিলো। মাঝে কালের পরিক্রমায় তার কিছুটা জৌলুশ হারিয়েছে। কিন্তু গত কয়েক বছরে চাঁদপুরের সেই হারানো গৌরব ফিরে আসতে শুরু করেছে। চাঁদপুরে পর্যটনের সম্ভাবনার দেখা দিয়েছে। সরকারির পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে। ভালো মানের হোটেল করতে হবে। নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। আবকাঠামিগত উন্নয়ন করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের যা সম্পদ রয়েছে আছে তা সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে।

পৌর মেয়র আরে বলেন, পদ্মসেতুর পর বাংলাদেশের মেঘা প্রকল্প হবে চাঁদপুর-শরিয়তপুর মেঘনা সেতু। সরকার এখানে একটি ট্রানেল করার পরিকল্পনা করছেন। আমরা একটি পরিকল্পনার মধ্যদিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগীতা প্রয়োজন। আমরা এখন পর্যটনের সম্ভাবনার কথা বলছি। আগামী দুই বছরের মধ্যে পর্যটন শিল্পের অগ্রগতির কাজ দৃশ্যমান করতে চাই।

টোয়াব সভাপতি রাফিউজ্জামান রাফি তার বক্তব্যে বলেন, আমরা পর্যটনকর্মী, দেশ আমাদের মা। আমরা মায়ের সেবা করি। চাঁদপুরে পর্যটন বাড়াতে মানসম্মান সেবা দিতে হবে। চাঁদপুরে কৃতি ব্যক্তিরা এই জেলার অলংকার। কিন্তু একটি বিষয়কে নির্ধারণ করতে হবে, আমরা পর্যটকদের কি দেখাবো। ইলিশ ফ্যাস্টিবল কন্টিউ করতে হবে। আমরা প্যাকেজ দিবো, কম খরচে ভ্রামণ করার সুযোগ দিবো। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা করুন। প্রাচ্যের সিঙ্গাপুর হিসেবেও পরিচিত করতে পারেন। একজন টুরিস্ট আসা মানে ১৯টি সেক্টরে টার্চ করা। এই খ্যাতকে এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করি।

টোয়াব সহ-সভাপতি শিবলুল আজিম কোরেশী তার বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরে এসে আমরা যা দেখলাম, এখানে পর্যটনের অনেক উপাদান রয়েছে। এখানের ইলিশ গোটা বিশ্বে পরিচিত। এখানকার নদী, সূর্যাস্ত পর্যটকদের আকর্ষণ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে পর্যটন শিল্পেরর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এখানে যেভাবে এগোনোর কথা ছিলো, সেখাবে এগোয়নি। চাঁদপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক অব্দুস সবুর মন্ডল অনেক কাজ করেছেন, বর্তমান জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ ও পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও সাংবাদিক-লেখকরা এখানকার ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরে অনেক কাজ করেছেন। দেশের উল্লেখযোগ্য পর্যটন এলাকার চেয়ে চাঁদপুরের সম্ভাবনা অনেক। এখানে অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। ঢাকাসহ সকল জেলা থেকে চাঁদপুরে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। সড়ক পথ, নৌ-পথ, রেল-পথে সহজ যোগা একদিনের সফরে কম খরচে চাঁদপুর ভ্রমণ করা সম্ভব। চাঁদপুর অন্যান্য জেলার চেয়ে নিরাপদ। পর্যটন শিল্পের বাড়ি চাঁদপুর হবে, পর্যটন নগরী হবে, সেই প্রত্যাশা করছি।

এর আগে ইলিশের বাড়ি খ্যাত চাঁদপুরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা প্রত্যক্ষ করতে একদিনের সফরে শনিবার চাঁদপুরে আসেন দেশের শীর্ষ ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন-টোয়াব নেতৃবৃন্দ। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) সভাপতি রাফিউজ্জামান রাফি ও সহ-সভাপতি শিবলুল আজিম কোরেশীর নেতৃত্বে ৬০ সদস্যের প্রতিনিধি দল দিনব্যাপী চাঁদপুর সফর করবেন।

আইরুমন্স বিডির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ ইউনুস উল্লাহর ব্যবস্থাপনায় এবং চাঁদপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে টোয়াব নেতৃবৃন্দ ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট, পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল বড়স্টেশন মোলহেড, মেঘনার চরে জেগে ওঠা ‘মিনি কক্সবাজার’ এবং ডাকাতিয়া নদী পরিভ্রমণ করেন।

প্রতিবেদক: আশিক বিন রহিম,১৯ জুন ২০২১

[Chandpur times] 

Thursday, June 17, 2021

মরুভূমির মাঝে এসি ছাড়াই ঠান্ডা থাকে স্কুলটিতে !

মরুভূমির মাঝে এসি ছাড়াই ঠান্ডা থাকে স্কুলটিতে !

মরুভূমির মাঝে এসি ছাড়াই ঠান্ডা থাকে স্কুলটিতে !

যে দিকে চোখ যায় সে দিকে শুধু বালি আর বালি। ভেসে আসছে গরম বাতাস। এর মাঝেই চলছে পড়াশোনা। মরুভূমির মাঝে স্কুল! ব্যাপারটি কখনও ভেবে দেখেছেন! ভাবনাতেও যেন গরম হাওয়া গায়ে ছ্যাঁকা দিয়ে যাচ্ছে, তাই না? অথচ বাস্তবেও রয়েছে এমনই এক স্কুল।

রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল
রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল

তাও আবার কোনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ছাড়াই! স্কুলটিতে এতটাই বিজ্ঞানের ব্যবহার হয়েছে যে খোলামেলা পরিবেশে পড়াশোনা করেও গরম হাওয়ার ভ্রুকূটি উপেক্ষা করা যায় সহজেই।

রাজস্থানের থর মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে বালিপাথরের তৈরি এই অত্যাধুনিক পরিকাঠামো। মরুভূমির মাঝে এই পরিকাঠামো দেখে যে কেউ বিস্মিত হতে পারেন। আসলে এটি মেয়েদের একটি স্কুল!
রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল
রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল

স্কুলটির নাম রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল। স্থানীয় হলুদ বালিপাথর দিয়ে তৈরি হয়েছে স্কুলটি।

স্কুলটিতে কোনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র নেই। তা সত্ত্বেও বাইরের এবং ভিতরের তাপমাত্রার আকাশ-পাতাল পার্থক্য। স্কুল ক্যাম্পাসের ভিতরের মাঠে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে খেলাধুলাও করতে পারবে।

স্কুলটিকে তৈরি করেছে আমেরিকার একটি বেসরকারি অলাভজনক সংস্থা। অনেক খুঁজে রাজস্থানের থর মরুভূমির এই জায়গাটিকে চিহ্নিত করে ওই সংস্থা।


রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল
রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল

২০১০ সালে প্রথম এ রকম একটি স্কুল তৈরির পরিকল্পনা করেন ওই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল দৌবে। তার জন্য দীর্ঘ সময় রাজস্থানে কাটিয়েছেন তিনি। সেখানকার সংস্কৃতি, পরিবেশ গভীরে বুঝেছেন।

এলাকার রাজনৈতিক নেতা এবং সরকারি স্তরে অনেক আলাপ-আলোচনার পরই এই স্কুলের অনুমতি পান তিনি। স্কুলটি কিন্ডারগার্টেন থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত।



এই অঞ্চলের বেশির ভাগ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত বলা চলে। মেয়েদের শিক্ষার হার একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। সেই অবস্থা কাছ থেকে উপলব্ধি করার পর মাইকেল চেয়েছিলেন এমন একটি স্কুল করতে যা সারা ভারতে নজির তৈরি করবে। যে স্কুলে ভর্তি হলে গর্ব বোধ করবেন অভিভাবকেরা। যে স্কুল শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যাই দেবে না বরং এই অঞ্চলের সংস্কৃতিকেও তুলে ধরবে।

স্কুলটি ডিম্বাকার। চারদিক দিয়ে ঘেরা স্কুলের মাঝখানে ফাঁকা খেলার মাঠ। ছাদে এবং মাঠের ওপর অর্থাৎ পুরো স্কুল ক্যাম্পাসজুড়েই রয়েছে সোলার প্যানেল। একদিকে যেমন এই সোলার প্যানেল বিদ্যুতের জোগান দেয় তেমন মাঠে ছায়া দেয়। যার নীচে নিশ্চিন্তে খেলতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

বালিপাথর দিয়ে স্কুলটি তৈরি করায় কার্বন অনেক কম নির্গত হয়। ফলে স্কুল এবং স্কুলের আশেপাশের পরিবেশ তুলনামূলক অনেক ঠান্ডা। প্রাকৃতিক নিয়মে মরুভূমি রাতে ঠান্ডা এবং দিনে গরম হয়ে যায়। কিন্তু স্কুলের গঠন এমনভাবেই করা যাতে রাতের ঠান্ডা হাওয়া দিনভর স্কুলের ভিতরে আটকে থাকে। ফলে বাইরের থেকে অনেকটাই আলাদা স্কুলের ভিতরের তাপমাত্রা।

স্কুলের ভিতরের দেওয়াল চুন দিয়ে প্লাস্টার করা। এটিও ইনসুলেটরের কাজ করে। ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ছাড়াই স্কুলের ভেতরের পরিবেশ তুলনামূলক ঠান্ডা রাখা যায়।

স্কুলটির বাইরের দিকের দেওয়ালে কোনও জানালা নেই। সমস্ত জানালাই ভেতরের মাঠের দিকে। তাই বাতাসের সঙ্গে বালি উড়ে স্কুলের ভেতরে ঢোকার উপায় নেই।

২০১৮ সালে স্কুল তৈরির কাজ শুরু হয়। ১ বছরের মধ্যেই সেটি সম্পূর্ণ হয়ে যায়। এই স্কুলটিকে পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হয়েছে।

তবে পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেলেও স্কুলটিতে এখনও সেভাবে পড়াশোনা চালু করা যায়নি মহামারীর কারণে। চলতি বছরে শুরু করা যাবে বলেই আশাবাদী মাইকেল। সূত্র: আনন্দবাজার

[ বিডি প্রতিদিন ]