Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts
Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts

Saturday, July 10, 2021

মেসিকে প্রথম শিরোপা উপহার দিলেন ডি মারিয়া

মেসিকে প্রথম শিরোপা উপহার দিলেন ডি মারিয়া


মেসিকে প্রথম শিরোপা উপহার দিলেন ডি মারিয়া

কত দিনের অপেক্ষা, কত চোখের জলে ভেসে আক্ষেপে পোড়া - লিওনেল মেসির অপেক্ষা আর শেষ হতে চায় না। দু’পায়ের জাদুকরি কারুকাজে ফুটবলকে দিয়েছেন দু’হাত ভরে। কিন্তু বারবারই ফুটবল তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে খালি হাতে। সেই ২০১৪ বিশ্বকাপ, সেই ২০১৫, ২০১৬ কোপা আমেরিকা- প্রতিবারই চোখের জলে বিদায় নিতে হয়েছিল বর্তমান সময়ের গ্রহের সেরা ফুটবলারকে।


অবশেষে ক্যারিয়ারের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে মেসি পেলেন প্রথম এবং একমাত্র শিরোপা জয়ের স্বাদ। সে সঙ্গে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন। বিখ্যাত মারাকানাতেই স্বাগতিক ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতলেন মেসি।


মেসির শিরোপা আক্ষেপ ঘোচালেন মূলতঃ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। যাকে পুরো টুর্নামেন্টে কোচ লিওনেল স্কালোনি খেলিয়েছেন পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে। কিন্তু ফাইনালে এসে বাজিমাত করলেন। ডি মারিয়াকে রাখলেন সেরা একাদশে।


শুরু থেকে মাঠে নেমেই ইতিহাসটা সৃষ্টি করে দিলেন ডি মারিয়া। তার আলতো টোকায় লেখা হলো সেই ইতিহাস। গ্রহের সেরা ফুটবলার মেসিকে অন্তত খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না ফুটবল থেকে। তার হাতে অন্তত একটি বড় শিরোপা তো তুলে দিতে পেরেছেন সেই আলতো টোকায়। যেটি রচিত হয়েছিল ম্যাচের ২১তম মিনিটে।

জাগো নিউজ 

ব্রাজিল ডিফেন্ডারকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ম্যাচ জিতেছিল আর্জেন্টিনা!

ব্রাজিল ডিফেন্ডারকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ম্যাচ জিতেছিল আর্জেন্টিনা!

আগামী ১১ জুলাই ব্রাজিলের ফুটবল তীর্থ মারাকানায় কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে নামবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা।


ফাইনাল এমনিতেই রোমঞ্চকর, তারমধ্যে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ, নেইমার-মেসির শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। সবমিলিয়ে উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের পারদ বেড়ে অসীম পর্যায়ে উঠেছে।



এমন ফাইনালই চায় ফুটবলপ্রেমীরা। তার ওপর ১৪ বছর পর দেখা হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। যে কারণে ফাইনালকে ঘিরে এখন থেকেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।


ঘাটাঘাটি হচ্ছে অতীত ইতিহাস ও জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যান। শতবছরের বিশ্বকাপের আলোচিত ঘটনাগুলোও সামনে এসে ধরা দিচ্ছে।


এমন মুহূর্তে আলোচনায় এসেছে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপের একটি বিতর্কিত ঘটনা। যা ফুটবল ডিকশনারিতে ‘দ্য হলি ওয়াটার স্ক্যান্ডাল’ নামে পরিচিত।


ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেরই জানা সেই ঘটনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দলের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল গুরুতর এক অভিযোগ।


ওই বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ম্যারাডোনা। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচে দুর্দান্ত ম্যারাডোনাকে রুখতে যারপরনাই চেষ্টা করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার (লেফট ব্যাক) ব্রাঙ্কো।


অভিযোগ রয়েছে,  ব্রাংকোকে পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ ট্র্যাঙ্ক্যুলাইজার মিশিয়ে খাইয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফিজিও। যাতে ম্যারাডোনা স্বাচ্ছন্দে নিজের কার্যসিদ্ধি করতে পারেন।


 



ঘটনা সম্পর্কে যা জানা যায়, বিরতির কিছু আগে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় পেদ্রো থ্রলিগো আহত হলে তাকে সেবা করতে আসেন ফিজিও। এ সময় আর্জেন্টাইন ফিজিওর কাছে পানির বোতল চান ব্রাঙ্কো। আর সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন আর্জেন্টিনা দলের ফিজিও। ব্রাঙ্কোকে ঘুমের ওষুধ ট্র্যাঙ্ক্যুলাইজার মেশানো পানির বোতল দেন তিনি।  ব্যস, তাতেই কাজ হয়ে যায়। সেই পানি পান করে বিরতির পর মাঠে নামেন ব্রাঙ্কো। ঘুমের ঘোরে চোখ বন্ধ হয়ে আসতে থাকে তার। ম্যারাডোনাকে আটকাবেন কি নিজেকেই সামলাতে পারছিলেন না ব্রাঙ্কো।



আর সুযোগ কাজে লাগান ম্যারাডোনা। ৩ ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে ক্লডিও ক্যানিজিয়াকে ডি-বক্সে বল বানিয়ে দেন ম্যারাডোনা। ক্যানিজিয়া ব্রাজিলের জালে বল জড়িয়ে দেন অনায়াসেই।


আর ওই গোলেই নব্বইয়ের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে যায় ব্রাজিলের। ১-০ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় আর্জেন্টিনা।


ম্যাচ হারের পর ব্রাঙ্কো দাবি করেন, আর্জেন্টাইন ফিজিওর দেওয়া সেই পানি পান করার পর থেকে তার শরীর অসার হতে থাকে। সামনের সবকিছু ঘোলাটে দেখতে থাকেন। আর তার এই দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে গোল আদায় করে আর্জেন্টিনা।


যদিও ব্রাঙ্কোর এই দাবিকে সে সময় ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিল আর্জেন্টাইন ফুটবল এসোসিয়েশন। তত্কালীন আর্জেন্টাইন কোচ কার্লোস বিলার্দোও  এমন কিছু ঘটেছিল বলে স্বীকার করেননি।


ব্রাঙ্কোর এমন অভিযোগের বিষয়ে তৎকালীন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারি ম্যাকরো অ্যান্তনিও টেইক্সেরিয়া বলেন, ‘এটা অত্যন্ত ভয়াবহ অভিযোগ। আমরা এ বিষয়ে সব তথ্য আগামী সপ্তাহে ফিফার কাছে পাঠাব। যদি এর মধ্যে তারা কোনো সত্যতা খুঁজে পায় তবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হবে। ’


কিন্তু ফিফা এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সে সময়। এরপর থেকে বিষয়টি ‘দ্য হলি ওয়াটার স্ক্যান্ডাল’ নামে ইতিহাস হয়ে গেল।


ওই ঘটনার ১৫ বছর পর অর্থাৎ ২০০৫ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনা এক সাক্ষাৎকারে সবাইকে চমকে দেন। ‘দ্য হলি ওয়াটার স্ক্যান্ডাল’ঘটনাটির কথা স্বীকার করেন। ব্রাঙ্কোকে দেওয়া পানিতে ট্র্যাঙ্ক্যুলাইজার ড্রাগ মেশানো ছিল বলে জানান ম্যারাডোনা।


ম্যারাডোনার এমন সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হতে না হতেই ফুঁসে ওঠে সেলেকাওরা। আর্জেন্টাইনদের ধুয়ে দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।


সবচেয়ে বেশি ঝাঁঝালো মন্তব্য এসেছিল নব্বইয়ে ব্রাজিল দলের কোচ সেবাস্তিও লাজারনির মুখ থেকে। আসাটাই স্বাভাবিক। কারণ ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ঘণ্টা বাজার পাশাপাশি লাজারনিরও কোচিং ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়।


তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘ম্যারাডোনার এই স্বীকারোক্তিতে বোঝা গেল, এটা আর্জেন্টিনা দলের নোংরা ও অপেশাদারিত্বের উদাহরণ। ফিফার এখনই উচিত আর্জেন্টাইন কোচ বিলার্দো আর তাদের ওই ফিজিওকে শাস্তি দেওয়া। ঘটনার ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও তাদের শাস্তি দেওয়া উচিৎ। কারণ এমনটা তারা আবারও করবে না সে নিশ্চয়তা কে দেবে?’


তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, গোল ডট কম

Friday, July 9, 2021

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল নিয়ে মারামারির খবর আর্জেন্টিনার পত্রিকায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল নিয়ে মারামারির খবর আর্জেন্টিনার পত্রিকায়

 


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল নিয়ে মারামারির খবর আর্জেন্টিনার পত্রিকায়!



আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম 'বুয়েন্স এইরেস টাইমস'-এ প্রকাশিত সেই সংবাদের স্ক্রিনশট।


গত দুই বছর ধরেই দেশের অন্যতম আলোচিত বিষয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা। এর পেছনে মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ার অবদান বেশি। সামান্য বিষয় নিয়ে নিয়মিতই জেলাটিতে বহু মানুষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে। গত মঙ্গলবার ৬ জুলাই কোপা আমেরিকা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল বাজারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা সংঘর্ষে জড়ায়। যাতে ৪ জন আহত হয়।



আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, ওই সংঘর্ষের খবর প্রকাশিত হয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম 'বুয়েন্স এইরেস টাইমস'-এ। সেই সংবাদের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, 'বাংলাদেশে কোপা আমেরিকা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় সতর্কতা জারি'। উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনাল ঘিরে সংঘর্ষের আশংকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশ। জনগণকে বাইরে বের না হয়ে নিজের বাসায় বসে খেলা দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে 'বুয়েন্স এইরেস টাইমস'-এ পুলিশের এই সতর্ক অবস্থানটির কথাই তুলে ধরা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, 'কোপা আমেরিকা আর বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগনের মাঝে ফুটবল উন্মাদনার সৃষ্টি হয়। লাখ লাখ ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার সমর্থক তাদের প্রিয় দলের পতাকা নিজেদের বাড়িতে এবং রাস্তায় স্থাপন করে। মাঝেমধ্যে দুই পক্ষে সংঘর্ষও হয়। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের সময় দেশটিতে ১২ বছর বয়সী এক ব্রাজিল সমর্থক রাস্তায় পতাকা ওড়াতে গিয়ে মারা যায়। তাছাড়া অন্য একটি ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক পিতা ও তার পুত্র মারাত্মক আহত হন।'


কালের কন্ঠ

Thursday, June 17, 2021

জরিমানা হয়েছে সাব্বির রহমানের।

জরিমানা হয়েছে সাব্বির রহমানের।

জরিমানা হয়েছে সাব্বির রহমানের।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ অসদাচরণ ও বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্যের। এ জন্য ৫০ হাজার টাকা গুনতে হবে জাতীয় দলের বাইরে থাকা এ তারকা ক্রিকেটারের।

সাব্বির রহমান
জরিমানা হয়েছে সাব্বিরের 


৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হচ্ছে অভিযোগকারী দল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ম্যানেজার ম্যানেজার টিপু সুলতান মাহমুদকেও। ঘটনায় জড়িত শেখ জামাল ক্রিকেটার ইলিয়াস সানিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। বিসিবি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায়

Monday, June 14, 2021

মেসির গোলের পরও জিততে পারল না আর্জেন্টিনা

মেসির গোলের পরও জিততে পারল না আর্জেন্টিনা

লিওনেল মেসি চেষ্টা কম করেননি। নিজে দারুণ ফ্রি-কিকে একটা গোল করেছেন। আরও গোল করানোর চেষ্টা করেছেন অনেক। কিন্তু গোল তো হয়ইনি, উল্টো দিকে আর্জেন্টিনা গোল খেয়ে বসেছে।

রিও ডি জেনিরোতে শেষ পর্যন্ত আজ চিলির সঙ্গে ১-১ গোলের ড্রতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। মেসির গোলের পরও তাই জয় দিয়ে এবারের কোপা আমেরিকা শুরু করা হলো না লিওনেল স্কালোনির দলের।

মেসি



৩৩ মিনিটে দারুণ ফ্রি-কিকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি, ৫৭ মিনিটে চিলিকে সমতায় ফেরানো গোলটি করেন এদুয়ার্দো ভারগাস। মূলত চিলি পেনাল্টি পেলেও সেটি থেকে আর্তুরো ভিদালের শট ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনা গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ফিরতি বল জালে জড়ান ভারগাস।



আর্জেন্টিনার একাদশে চমক বলতে তেমন ছিল না। গতকাল থেকে টুইটারে যে একাদশ খেলবে বলে শোনা যাচ্ছিল, সেটিই নামিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। গোলপোস্টে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তাঁর সামনে ৪-৩-৩ ছকে রক্ষণের কেন্দ্রে লুকাস মার্তিনেজ কুয়ার্তার সঙ্গী নিকোলাস ওতামেন্দি; আর ডানপাশে গনসালো মন্তিয়েল ও বাঁ পাশে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।

মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গী রদ্রিগো দে পল ও জিওভান্নি লো সেলসো। আর আক্রমণে লিওনেল মেসির সঙ্গী হয়েছেন লওতারো মার্তিনেজ ও নিকোলাস গঞ্জালেস।

অন্যদিকে চিলির আলেক্সিস সানচেজ পায়ের পাতার চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচই খেলতে পারবেন না। তাঁকে ছাড়াই মাঝমাঠে ভিদাল আর চার্লস আরাঙ্গিসকে নিয়ে ৪-৩-৩ ছকে নেমেছে চিলি।
বিজ্ঞাপন




ম্যাচের শুরুর পাঁচ-ছয় মিনিটে চিলিরই দাপট ছিল। পঞ্চম মিনিটে আর্জেন্টিনা গোলকিপার মার্তিনেজ একবার আটকে দেন চিলির ভারগাসের শট। ১২ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠ থেকে লো সেলসোর দারুণ পাসটাকে অল্পের জন্য জালে পাঠাতে পারেননি আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকার মার্তিনেজ।

চার মিনিট পর আবার আর্জেন্টিনার আক্রমণ। আবার লো সেলসোর ফ্লিক, এবার নিকোলাস গঞ্জালেসের উদ্দেশে। গঞ্জালেসের শটটাতে বিষ ছিল, তবে চিলি গোলকিপার ক্লদিও ব্রাভো দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে দলকে বাঁচান।

দুই মিনিট পর আবার লো সেলসো-গঞ্জালেস সমন্বয়। ম্যাচের ২০ মিনিট পেরোনোর আগেই তিনবার গোলের সুযোগ পাওয়া গঞ্জালেসের অন্তত একটা গোল তো করাই উচিত ছিল!

আর্জেন্টিনার গোলের অপেক্ষা অবশেষে ৩৩ মিনিটে ঘুচিয়েছেন মেসি। বক্সের একটু বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। দারুণ বাঁকানো শটে সেটিকে জালে জড়িয়ে দেন মেসি। এক সময়ে বার্সেলোনার অনুশীলনে মেসির এমন ফ্রি-কিক হয়তো অনেক সামলেছেন বর্তমানে স্পেনেরই ক্লাব রিয়াল বেতিসের খেলা ব্রাভো। কিন্তু এবার সে অভিজ্ঞতা কাজে এল না।



এ নিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৪৫ ম্যাচে ৭৩ গোল হলো মেসির। এর মধ্যে ৩৯টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে – যে পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে মেসি পেছনে ফেলেছেন গাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে।

৩৮ মিনিটে লওতারো মার্তিনেজ দারুণ সুযোগ হাতছাড়া না করলে আরও এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে পারত আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টা আঘাত হানতে বেশি দেরি করেনি চিলি। ৫৩ মিনিটে প্রথমে মনে হয়েছিল চিলির ভারগাসের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা গোলকিপার মার্তিনেজ, কিন্তু পরে ভিএআরে দেখা যায়, সেই শট নেওয়ার সময় বক্সে ভারগাসকে ফাউল করেছেন আর্জেন্টিনা লেফটব্যাক তাগলিয়াফিকো। ব্যস! পেনাল্টি পেল চিলি।

সেখানে আবার নাটক! পেনাল্টি থেকে ভিদালের শট প্রথমে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মার্তিনেজ। কিন্তু ফিরতি বল সবার আগে ধরে জালে পাঠান ভারগাস।

আর্জেন্টিনা এরপর চেষ্টা কম করেনি। ৭১ মিনিটে মেসির শট ফিরিয়ে দেন ব্রাভো। ৮০তম মিনিটে নিকোলাস গঞ্জালেস কীভাবে গোল পাননি, সেটাই বরং আশ্চর্য! বক্সের দিকে দারুণ চিপে পাস দেন মেসি, গঞ্জালেসের উদ্দেশে। কিন্তু গঞ্জালেসের হেড উড়ে যায় বক্সের ওপর দিয়ে।

যোগ করা সাত মিনিট সময়ের প্রথমটিতে মেসি একবার দারুণ লাফিয়ে উঠে হেড করেছিলেন। চিলি গোলকিপার ব্রাভো সেবারে পারেননি শট ফেরাতে, কিন্তু চিলির ডিফেন্ডার এনজো রোকো সে যাত্রায় মেসিকে দ্বিতীয় গোল বঞ্চিত করেন।